JA HID

JA HID "Exploring the past to understand the present ✨ | Historical facts, untold stories & timeless lessons | Learn history, love history."

30/12/2025

Justice For Hadi

#প্রিয়_ওসমান_হাদি
#ইনকিলাবমঞ্চ
#বিপ্লবী_বীর
#বাংলা_চিন্তা
#ন্যায়_ও_ইনসাফ

#ন্যায়ের_লড়াই


30/12/2025

দেখতে পাইলে বাকশাল শাউয়া বইলা ছিইড়া ফেল | Justice For Hadi

We want Justice | Osman Hadi | শহিদ ওসমান হাদি


ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক—বিপ্লবী বীর প্রিয় Osman Hadi -. ওসমান হাদি | ন্যায়ের পক্ষে নির্ভীক কণ্ঠ, ইনসাফের লড়াইয়ে অগ্রদূত—প্রিয় ওসমান হাদি | যিনি ন্যায়ের পথে অবিচল, ইনসাফের প্রশ্নে আপসহীন—বিপ্লবী বীর প্রিয় ওসমান হাদি



#ইনসাফ
#আদর্শ
#বিপ্লব
#ইনকিলাব
#প্রিয়_ওসমান_হাদি
#ন্যায়_ও_ইনসাফ
#বিপ্লবী_বীর
#সত্যের_পথ
#ন্যায়ের_লড়াই
#বাংলা_চিন্তা
#ইনকিলাবজিন্দাবাদ



#প্রিয়_ওসমান_হাদি
#ইনকিলাবমঞ্চ
#ন্যায়ের_লড়াই
#ন্যায়_ও_ইনসাফ
#বিপ্লবী_বীর

#বাংলা_চিন্তা



#ইনকিলাব


30/12/2025

A man,A Myth ❤️



















বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর ক'দিন পরেই পাকুড় থেকে একটা রহস্যময় চিঠি আসে গৌরিকুঞ্জে তার স্ত্রীর কল্যাণীর (দ্বিতীয়...
08/11/2025

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর ক'দিন পরেই পাকুড় থেকে একটা রহস্যময় চিঠি আসে গৌরিকুঞ্জে তার স্ত্রীর কল্যাণীর (দ্বিতীয় স্ত্রী) কাছে। চিঠিতে লিখা ছিল, "আরও বিপদ আসছে অবিলম্বে স্থান ত্যাগ করুন"। চিঠি লিখেছেন জনৈক বৈদ্যনাথ চট্টোপাধ্যায়। চিঠিটা ঘাটশিলা পুলিশের কাছে দেওয়া হলো কে এমন ভয় দেখাচ্ছে। এছাড়া বৈদ্যনাথ বলে তো কেউ তাদের পরিচিত নেই। কিন্তু পুলিশ কোনো কূলকিনারা করতে পারেনি। নুটু (বিভূতির ছোট ভাই) ভরসা দিল কিছু হবে না ভাবী চিন্তা করবেন না। কিন্তু মিথ্যা হলো সেই ভরসা। এবার ভয় এলো আরও ভয়ংকর হয়ে। বিভূতির মৃত্যুর সাত দিন পরে আট দিনের মাথায় সুবর্ণরেখার তীরে পঞ্চপাণ্ডব শ্মশানের কিছুটা দূরে সন্ধ্যাবেলায় আবিষ্কার হয় ডাঃ নুটুবিহারি বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূলন্ঠিত মৃতদেহ। কেউ জানে না কি হয়েছিল। শুধু মৃতদেহের পাশে পরেছিল একটা কারবলিক এসিডের শিশি - শূণ্য।

পরপর দুই ভাইয়ের মৃত্যুতে দুই সদ্যবিধবা কল্যাণী ও যমুনা অসহায় হয়ে গেলেন। এরপর এলো আরেক চিঠি। সেই আগের স্থান থেকে লিখা হয়েছে এবং সেই আগের ব্যক্তিই লিখেছে। এবার আরও ভয়ংকর বিপদবার্তা। "এখনই সরে পড়ুন, আরও বিপদ আসছে"। এবার সত্যি পালাতে হবে। পালাতে হবে বাবলুর (বিভূতি একমাত্র সন্তান) জন্য। তাই তারা কলকাতা চলে যায়। এখানে আরও উল্লেখ্য করার প্রয়োজন যে বন্দ্যোপাধ্যায় বংশের আর কোনো সন্তান ছিল না। বিভূতি ছোটো ভাই নুটু বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন নিঃসন্তান।

জীবনানন্দের মৃত্যু রহস্যের চেয়ে বিভূতিভূষণের মৃত্যু রহস্য কম নয়, বরং বেশি। যদিও কথিত আছে যে মৃত্যুর আগে বিভূতিভূষণ একদিন অরণ্যে ঘুরতে গিয়ে একটা খাটিয়ায় কাপড় মুড়ানো লাশ দেখতে পায়। এমনকি সেই কাপড় তুলতেই তিনি দেখেন সেই লাশ আর কারো নয়, স্বয়ং তার নিজের। বস্তুত, এর আগে থেকেই তিনি মাঝেমধ্যে নিজের অবচেতনে নিজের মৃত্যু দেখতে পেতেন। কিন্তু এবার সত্যিই তিনি তা বাস্তবে প্রত্যক্ষ করলেন। এরপর থেকে আস্তে আস্তে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং কিছুদিন পরেই মারা যান।

তার আগের কিছু ঘটনা সম্পর্কে জানা যাক। বিভূতি ঘাটশিলায় যে বাড়িটি গৌরিকুঞ্জ (প্রথম স্ত্রীর নামে) কিনে ছিলেন সেই বাড়ি সম্পর্কে নানা রকম কথা প্রচলিত আছে। বাড়িটি নাকি ভালো না। সেখানে বিড়ালের হাড় পোতা রয়েছে।সেই জন্য আগের বাড়ির মালিক বাড়িটি বিক্রি করে দেন। কারণ তার ছেলে গাছ থেকে পরে মারা যায় (বিভূতির বাল্যবন্ধু) এবং মেয়ে কদিনেই বিধবা হয়। পরপর দুবার বিভূতি কন্যাসন্তান হয়ে মারা গেলে গৌরিকুঞ্জে তাই সেই বাড়ির পুরাতন মালিকের স্ত্রী ক্যালাণীর কাছে এসব গল্প করেন। তারা ভেবেছিল যে বিভূতি হয়তো আর কখনো বিয়েশাদি করবেন না তাই তারা বিভূতির কাছে বাড়িটা বিক্রি করেন। কিন্তু তিনি প্রায় শেষ বয়েসে এসে বিয়ে করেন। তাই বাড়িটা যেহেতু ভালো না তারা যেন বাড়ি থেকে চলে যায়।

বিভূতির সন্তান তারাদাস এর জন্ম হয় তার নানা বাড়িতে। জন্মের তিনদিন পযর্ন্ত বিভূতি জানতেন না তার ছেলে হয়েছে। কারণ কল্যাণী এবারও মনে করে যে তার এ সন্তানও হয়তো বাঁচবে না। তাই জন্মের তিনদিন পরে বিভূতিকে খবর দেওয়া হয়। একদিন এই গৌরি ভিলায় বিভূতি অসুস্থ ছেলের (ডাকনাম বাবলুর) পাশে বসে আছেন। স্ত্রী গেছে জল আনতে। এসে দেখেন স্বামী কাঁদছে। কল্যাণী কারণ শুনতে গিয়ে চমকে উঠে। বিভূতি বলে, "কেউ একজন এসেছিল বাবলুকে নিয়ে যেতে। কিন্তু তিনি কিছুতেই তাকে যেতে দিবেন না। সেই আগুন্তক বলে তার আয়ু শেষ তাই বাবলুকে নিতে এসেছেন। কিন্তু বিভূতি বলেন বাবলুকে তিনি কিছুতেই যেতে দিবেনা। বিনিময়ে আগুন্তক বিভূতির আয়ু চেয়ে বসে এবং বিভূতি রাজি হয়ে যায়"। বস্তুত তখন থেকেই বিভূতিকে মৃত্যু ভয় চেপে বসে। তিনি তার অসমাপ্ত কাজ শেষ করার তাগিদ অনুভব করেন।

তথ্যসূত্র : 'বিভূতিভূষণের সংসার' থেকে

কালের সাক্ষী এই সুদৃঢ় স্থাপত্য, অথচ তার আনাচে-কানাচে প্রকৃতির অবারিত প্রশান্তি। ঢাকা শহরের বুকে এক নিশ্বাস ফেলার সবুজ ঠি...
10/10/2025

কালের সাক্ষী এই সুদৃঢ় স্থাপত্য, অথচ তার আনাচে-কানাচে প্রকৃতির অবারিত প্রশান্তি। ঢাকা শহরের বুকে এক নিশ্বাস ফেলার সবুজ ঠিকানা—লালবাগ কেল্লা।"...

জাবি'তে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী কামরুল ইসলাম কে যেভাবে   নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়ঃজাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদ...
09/10/2025

জাবি'তে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী কামরুল ইসলাম কে যেভাবে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়ঃ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের প্রথম ও ছাত্রশিবিরের ইতিহাসে ৬৯তম শহীদ হলেন কামরুল ইসলাম। শহীদ কামরুল ইসলাম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে এসে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন আল্লাহর রাস্তায়। তিনি ছিলেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের একজন কর্মী।

১৯৯৪ সালের ১৭ আগস্ট কামরুল ইসলামকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিতে এসে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীদের হাতে নির্মমভাবে নিহত হতে হয়। বিনা অপরাধে একজন ভর্তিচ্ছুকে সন্ত্রাসীরা যেভাবে ঠাণ্ডা মাথায় পিটিয়ে হত্যা করেছে তা অন্ধকার যুগের বর্বরতাকেও হার মানায়। দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরণের নৃশংস ও পৈশাচিক হত্যাকান্ডে বিবেকবান প্রত্যেকটি মানুষই বিস্ময়ে হতবাক হয়েছিল।

১৯৯৪ সালের ১৬ই আগস্ট শহীদ কামরুল ইসলাম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৯৪-৯৫ শিক্ষাবর্ষে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তির মৌখিক পরীক্ষা দিতে মওলানা ভাসানী হলে এক বন্ধুর কক্ষে ওঠেন। ছাত্রদলের মাজহারের নেতৃত্বে ৮/১০ জন সন্ত্রাসী কামরুল ইসলামকে পড়ার টেবিল থেকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যায় হলের ৩৩২ নম্বর কক্ষে। কামরুল ইসলামকে শিবির-কর্মী সন্দেহে কিল, ঘুষি ও লাথি দিয়ে মেঝেতে ফেলে দেয়া হয়। পরে তার পকেটে শিবিরের ডায়েরি দেখে নিশ্চিত হয়ে সারারাত নির্মম নির্যাতন করে। সন্ত্রাসীরা অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় লাঠি, রড, পেপসির বোতল ও অন্যান্য ধারাল অস্ত্রের উপর্যুপরি আঘাতে তার মাথা ও শরীর ক্ষত-বিক্ষত করে। তার আর্তচিৎকারে চারদিক প্রকম্পিত হলেও সেদিন ছাত্রদলের সন্ত্রাসীদের ভয়ে কেউ সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসতে সাহস পায়নি।

রাত আরো গভীর হলে সন্ত্রাসীরা আবারও খুনের নেশায় উন্মত্ত হয়ে উঠে। এবার কামরুলের আর্তচিৎকার যেন বাইরে থেকে শুনা না যায়, এ জন্য তার মুখে কাপড় গুজে দেয় খুনী হায়েনার দল। সারারাত ধরে পালাক্রমে নির্যাতন চালিয়ে কামরুলের হাত ও চোয়াল ভেঙ্গে দেয়৷ পিপাসায় কাতর হয়ে; আল্লাহ গো বাঁচাও, পানি..... পানি...... বলে চিৎকার করলেও তাকে সারারাতে একফোটা পানিও খেতে দেয়নি৷ বরং তাকে নির্যাতন করা হয়নি, এই মর্মে একটি মুচলেকা দিতে বাধ্য করে৷ সারারাত নির্যাতনের ফলে কামরুলের শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটে৷

১৭ই আগস্ট সকালে আহত কামরল ইসলামকে মওলানা ভাসানী হলের দু'জন সিকবয় শফিক ও বাবুলকে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রে পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু কর্তব্যরত ডাক্তার তার অবস্থা মারাত্মক দেখে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নেয়ার জন্য পরামর্শ দেন। সিকবয় দু'জন মুমূর্ষু কামরুলকে নিয়ে বেবী টেক্সিযোগে ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা হওয়ার পর সাভার বাজারের কাছে গেলে সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। এ সময় তারা ঢাকার দিকে না গিয়ে ক্যাম্পাসে ফিরে আসার সময় নওয়াব ফয়জুন্নেসা হলের পূর্বে ঢাকা- আরিচা মহাসড়কের পাশে জঙ্গলাকীর্ণ স্থানে তার লাশ ফেলে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।
পরে সাভার থানার পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এ ঘটনার লিখিত বিবরণ মওলানা ভাসানী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক এনামুল হক খান, ভিসি অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম চৌধুরীর কাছে জমা দেন৷ খুবই অবাক করা বিষয় সকাল থেকে লাশ পড়ে থাকলেও হলের প্রভোস্ট এনামুল হক খান ভিসিকে এখবর জানান রাত ৯টার সময়। এর আগে শিক্ষক ক্লাবে বসে রাত ৭টার দিকে সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ড. নইম সুলতান, নুরুল হক, আতিকুর রহমান, ড. মোজাম্মেল হক, জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ আবাসিক শিক্ষকদের সাথে বৈঠক করেন। এতেই বুঝা যায় কতটা বিবেকহীন ছিলেন এই শিক্ষক সমাজ।

এরপর ২২শে আগস্ট ভিসি আমিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সিণ্ডিকেট এক জরুরি সভায় উক্ত ঘটনার জন্য গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করা। সিণ্ডিকেট উক্ত ঘটনার তদন্ত চূড়ান্তকরণসহ অবিলম্বে দোষী ব্যক্তিদের শাস্তি প্রদানের জন্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিশেষভাবে অনুরোধ করে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, শহীদ কামরুল ইসলামের চিহ্নিত খুনীরা ক্যাম্পাসের সর্বত্র পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নাকের ডগা দিয়ে ঘুরে বেড়ালেও কেউ গ্রেফতার হয়নি৷

এ ঘটনায় ২৪ আগস্ট সাভারের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬৭ জন শিক্ষক এবং সাভার ও ধামরাই সরকারি কলেজের ১৭৩ জন ছাত্রছাত্রী এই হত্যার বিচারের দাবি করে বিবৃতি দেয়। ২৯ আগস্ট সাভার-ধামরাই এলাকার ৮০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ছাত্রদলের এই হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবি করে। ৩০ আগস্ট ঢাকা জজকোর্টের ৭১ আইনজীবী এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানান।

কিন্তু কি ছিল শিবির-কর্মী কামরুলের অপরাধ? কেন আঘাতে আঘাতে জর্জরিত হয়ে ভাসানী হলের নির্জন কক্ষে সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় এভাবে জীবন দিতে হলো তাকে। সে তো তখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রত্ব অর্জন করেনি, কারো স্বার্থে আঘাত হানেনি। তবে কেন তাকে জীবন দিতে হলো? আসলে এছাড়া কামরুলের আর কোন অপরাধ ছিল না যে, সে নিয়মিত নামাজ পড়তো, ইসলামকে নিজের জীবনে ও সমাজে বাস্তবায়নের স্বপ্ন দেখতো। কিন্তু যারা নামাজ পড়তে দেখলে নিজেদের গাত্রদাহ অনুভব করে, দাড়ি টুপি দেখলে হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়ে, তারা চায়নি এ ধরনের একটি আদর্শবান ছাত্র ভর্তি হোক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাই তাদের হাতে নির্মমভাবে জীবন দিতে হলো মেধাবী আদর্শবান ছাত্র কামরুল ইসলামকে।

যে বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি পাখি হত্যা করলে তার ছাত্রত্ত্ব বাতিল হয়, সে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবির পরিচয়ে কাউকে হত্যা করলে বিচার তো দূরের কথা বরং তাকে পুরস্কৃত করা হয়। চরিত্রবান মেধাবীদের অবাধ বিচরণ কম থাকার কারণেই হয়তোবা এখানে ধর্ষণের সেঞ্চুরি প্রকাশ্যে উদযাপন করার পরিবেশ তৈরি হয়ছিল। তাই ইসলাম কে আর উপেক্ষা নয়, প্রমোট করা জরুরী। তাহলেই ভালো থাকবে আমার-আপনার প্রাণের স্পন্দন- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

এইচ এম জোবায়ের
সরকার ও রাজনীতি বিভাগ
৩৩ তম ব্যাচ
মওলানা ভাসানী হল।

Address

5 College Street
Dhaka
1211

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when JA HID posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category