11/01/2026
রক্ষণশীল শরয়ী পর্দা করলে অনলাইনে যা করা যায় না-
আর যদি মন না মানে তাহলে মেনে নেন যে আপনি আদতেই ভিষণ ঢংগি।
নিজের কম বুঝকে পর্দা বলে ঝগড়া করতে আসবেন না।
১. হাত মোজাওয়ালা হাতের সাথে বই, ফুল, আংটি, ব্রেজলেট, চিরকুট ইত্যাদির ফটোশ্যুট করা যায় না।
২. বরের পাঞ্জাবিওয়ালা বুকে হাত রেখে প্রোফাইল বা স্টোরি দেওয়া যায় না।
৩. সবুজ ঘাসের উপর জুতোওয়ালা পা রেখে সুন্দর সুন্দর ছবি দেওয়া যায় না।
৪. ঈদে ঈদে হাত ভর্তি মেহেদি নিয়ে তার পিক আপ করা যায় না।
৫. মাথা থেকে পা অবধি সম্পূর্ণ ঢেকে রাখা অবয়বটাকে হায়েনার চোখে তুলে ধরা যায় না।
৬. স্টিকার মেরে মুখ ঢেকে মুখের নিকাব, বোরকা পর্যন্তও দেখানো যায় না।
৭. কোর্সের নামে সেলাই, ক্যালিগ্রাফি, আর্ট, শাড়ি পাঞ্জাবিতে আঁকিবুঁকির সময় পাবলিক প্রোফাইল, পাবলিক পেইজে নিজের হাত দেখানো যায় না।
৮. ইনশটে নিজের এডাল্ট ভয়েসকে বাচ্চা রূপ দিয়ে ভিডিও বানিয়ে মজা লুটা যায় না।
৯. সাগর পাড়ে, পথের ধারে, জানালা ধরে উড়তে থাকা নিকাব কিংবা হিজাবের আঁচল এর ভিডিওর সাথে নাশিদ লাগিয়ে আপলোড করা যায় না।
১০. চোখের মায়ার কাল কুঠরি তো দূর, চোখের পাপড়ির একটি কোণাও স্টোরিতে রাখা যায় না।
১১. যেই পোশাকটি পরিধান করি, যেটি একান্তই আমার পোশাক, যার আনাচেকানাচে লেগে আছে আমার গায়ের গন্ধ; সেই জামাকাপড় পোশাকের উপর এটা ওটা রেখে ফটো স্যুট করা যায় না। সেই জামাকাপড় পোশাকের এক কোনাও আপলোড করা যায় না।
১২. দুইদিন পর পর স্টোরিতে বোরকা পরে ভেলকিবাজি তো দূরের কথা; নিজের একটা শরীরের ছায়া পর্যন্ত আপলোড করার সাহস আসে না।
রক্ষনশীল শরয়ী পর্দাকে গুরুত্ব দিতে গেলে আরও যা করা যায় না-
১. একের পর এক ছবি তুলে গ্যালারী ভরে রাখা যায় না।
২. অপ্রয়োজনীয় স্নাপচ্যাট বা বিউটি ক্যামেরার পিছনে সময় ব্যয় করা যায় না।
৩. খায়েশাত মিটাতে ছবি তুলে তা গুগলের ফাইলে রাখা যায় না।
৪. আরেকটু সুন্দর দেখাতে নিজের প্রতিকৃতিকে ফটোশপ বা এআই এর হাতে তুলে দেওয়া যায় না। যায় না মানে যায় না।
৫. নির্জনে, আড়ালে আবডালে, মেসেজে, কমেন্টে অমুকের বাপ, তমুকের বাপ, অমুকের ছেলে, তমুকের ছেলের সাথে কথা বলা যায় না!
এবার নিজেকে প্রশ্ন করা যাক।
শরয়ী পর্দা করতে আমি কত পার্সেন্ট সফল হয়েছি? নাকি লৌকিকতার জঞ্জালে আমার অধঃপতন ঘটেই চলেছে....
উম্মে ওমর আল হিন্দ _