08/07/2024
আশুরার রোজা কবে, কীভাবে রাখবো?
❑ আশুরা বলতে কী বোঝায়?
→আশুরা শব্দটি আরবি ‘আশারাহ’ থেকে এসেছে। এর অর্থ দশ। আশুরা মানে দশম। ইসলামি পরিভাষায় মুহাররামের ১০ তারিখকে আশুরা বলে।
❑ আশুরার রোজার ফজীলতঃ
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “আশুরার দিনের রোজার ব্যাপারে আমি আল্লাহর কাছে আশা করি—তিনি (এর দ্বারা) পূর্ববর্তী এক বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।” [তিরমিজিঃ৭৫২ ; ইবনে মাজাহঃ ১৭৩৮]
❑ আশুরার রোজা রাখার সঠিক পদ্ধতি:
আশুরার রোজা তিনভাবে রাখা যায়।
✿ সর্বোত্তম পদ্ধতি হলো, আশুরার আগের দিন (৯ তারিখ) ও আশুরার দিন (১০ তারিখে) রোজা রাখা।
ইবনু আব্বাস (رضى الله عنه) বর্ণনা করেন, ‘যখন রাসুলুল্লাহ (ﷺ) আশুরার রোজা রাখলেন এবং (অন্যদের) রোজা রাখার নির্দেশ দিলেন, তখন লোকেরা বললো, ‘হে আল্লাহর রাসুল! এটিতো এমন দিন, যাকে ইহুদি ও খ্রিস্টানরা বিশেষ মর্যাদা দেয় তাহলে এমন দিনে আমরা রোজা রাখবো কেনো?
তখন রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, ‘‘আগামী বছর এই দিন আসলে, আমরা (আশুরার দিনের সাথে) ৯ তারিখেও রোজা রাখবো إِنْ شَاءَ ٱللَّٰهُ বর্ণনাকারী বলেন, আগামী বছর আসার আগেই রাসুলুল্লাহ (ﷺ) এর ইন্তেকাল হয়ে যায়। [ মুসলিমঃ ২৫৫৬]
✿ কেউ চাইলে আশুরার দিন এবং এর পরের দিনও রোজা রাখতে পারেন। অর্থাৎ, মুহাররামের ১০ ও ১১ তারিখ।
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, ‘‘তোমরা ইহুদিদের বিরোধিতা কোরো—আশুরার আগে বা পরে আরও একদিন রোজা রাখো।’’ [মুসনাদে আহমাদঃ২১৫৪]
✿ উত্তম হলো, দুইটি রোজা রাখা। অর্থাৎ, আশুরার দিন এবং এর আগের বা পরের দিন। [ইবনুল কায়্যিম, যাদুল মা‘আদ]