July Mass Uprising Memorial Museum

Directions

July Mass Uprising Memorial Museum A tribute to the July Uprising: honoring our martyrs, preserving the truth, and exposing sixteen years of fascist oppression.

This museum is established under the supervision of the Ministry of Cultural Affairs.

ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬শনিবারআজ রায়েরবাজার কবরস্থানে অবস্থিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের গণকবরে শ্রদ্ধা নিবেদন ও পুষ...
19/09/2026

ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শনিবার

আজ রায়েরবাজার কবরস্থানে অবস্থিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের গণকবরে শ্রদ্ধা নিবেদন ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক জনাব এহসান মাহমুদ।

​এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন জুলাই জাদুঘরের একটি প্রতিনিধি দল। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে উপস্থিত সকলেই কিছু সময় নীরবতা পালন করেন এবং অভ্যুত্থানের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন।

এরপর চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে জীবন উৎসর্গ করা সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করে দোয়া করা হয়। মোনাজাতে শহীদ পরিবারের শোকসন্তপ্ত স্বজনদের এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি ও ধৈর্য কামনা করা হয়।

মোনাজাত শেষে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি ও আদর্শকে ধরে রাখার গুরুত্ব নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন জুলাই জাদুঘরের মহাপরিচালক। তিনি উল্লেখ করেন, বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে সংঘটিত এই গণহত্যা এদেশের ইতিহাসের অন্যতম নৃশংস ও বর্বরতম অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় পতনোম্মুখ স্বৈরাচারী শাসক গণহত্যার নির্মম সত্য গোপন করতে লাশ গুম করার মতো জঘন্যতম অপরাধে লিপ্ত হয়েছিল।

জাদুঘরের চলমান সংগ্রহ ও গবেষণা কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে এই বর্বরোচিত ইতিহাসকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।

Dhaka, September 19, 2026
Saturday

Today, Director General of the July Mass Uprising Memorial Museum, Ehasan Mahamud, paid tribute and laid a floral wreath at the mass graves of the martyrs of the July Mass Uprising at Rayerbazar Cemetery.

​A delegation from the July Museum accompanied him during the occasion. Following the wreath-laying, all present observed a moment of silence in honor of the heroic martyrs of the uprising.

​A special prayer was then offered seeking the eternal peace and salvation of the departed souls of all who sacrificed their lives during the 2024 Mass Uprising. Prayers were also made for the bereaved families, asking for their strength and fortitude to bear this irreparable loss.

​Following the prayer, the Director General briefly discussed the importance of preserving the memory and ideals of the July Mass Uprising. He noted that the genocide committed under the autocratic fascist regime will remain marked as one of the most brutal and horrific chapters in the nation's history.

He further emphasized that during the uprising, the falling authoritarian regime resorted to heinous crimes such as the concealment and secret disposal of bodies to hide the brutal truth of the massacre.

​He reaffirmed a strong commitment to presenting this tragic history objectively to future generations through the museum's ongoing archive collection and research efforts.

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক এহসান মাহমুদ। আজ জনপ্রশাসন ম...
16/09/2026

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক এহসান মাহমুদ। আজ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এহসান মাহমুদকে পরবর্তী ১ (এক) বছরের জন্য এই পদে নিয়োগ প্রদান করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের নবনিযুক্ত মহাপরিচালক এহসান মাহমুদ বলেন, ‘বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসে অবিস্মরণীয় ঘটনা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান। এর গৌরবময় স্মৃতি সংরক্ষণ, সংগ্রামের প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা, জুলাই শহীদ ও যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের স্মারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই জাদুঘর। এসব কারণেই জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশা অনেক। গণ-অভ্যুত্থানের পর এই প্রতিষ্ঠান ঘিরে এদেশের মানুষের নতুন আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে। গণতন্ত্র, সম অধিকার ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করার যে শিক্ষা আমরা জুলাই থেকে পেয়েছি, তা সামনে রেখেই কাজ করতে চাই। আশা করি, সকলের সমবেত সংযোগ ও সক্রিয়তায় আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণ, চর্চা ও গবেষণার পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরকে সাংস্কৃতিক বিদ্যাপিঠের জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে রূপ দিতে সক্ষম হবো। সকলের সহযোগিতা কামনা করি।’

এহসান মাহমুদের জন্ম মাদারীপুরে। পৈত্রিক নিবাস বরিশালের মুলাদীতে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় স্নাতক। পেশায় সাংবাদিক হিসেবে এহসান মাহমুদ কাজ করেছেন দৈনিক সমকাল, দেশ রূপান্তর, ভয়েস অব আমেরিকা বাংলা, মানবজমিন, নেত্র নিউজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে।

সাংবাদিকতার পাশাপাশি সৃজনশীল সাহিত্যেও এহসান মাহমুদ প্রতিভার ছাপ রেখেছেন। তার প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে উপন্যাস ‘একাত্তরের লালমিয়া’ এবং ‘কোকিল অসময়ে ডাকিয়াছিল’ অন্যতম। প্রকাশিত হয়েছে আদিবাসী প্রেমিকার মুখ নামক কাব্যগ্রন্থ। এছাড়াও ‘স্বাধীনতা গণতন্ত্র মানবাধিকার: আওয়ামী লীগের শাসনামলে বাংলাদেশ ২০০৯-২০২৩’ এবং ‘বিচার সংস্কার নির্বাচন: অন্তর্বর্তী আমলে বাংলাদেশ’ নামক প্রবন্ধ ও রাজনীতির দুটি গ্রন্থও তার উল্লেখযোগ্য সৃষ্টিকর্ম।

এহসান মাহমুদ বিগত আওয়ামী লীগের শাসনামলে লেখালেখির কারণে চাকরিচ্যুতির শিকার হয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের রোষানলে পড়েও ভোটাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে সোচ্চার ছিলেন। বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তিনি। এছাড়া চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। একজন সাংস্কৃতিক সংগঠক হিসেবে গণতান্ত্রিক লড়াই-সংগ্রামে এহসান মাহমুদ সবসময় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন।

‘গণতন্ত্র পেয়েছি কিন্তু মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ জুলাই জাদুঘর ঘুরে এই মন্তব্য করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম...
09/09/2026

‘গণতন্ত্র পেয়েছি কিন্তু মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ জুলাই জাদুঘর ঘুরে এই মন্তব্য করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ (৯ সেপ্টেম্বর বুধবার) দর্শনার্থীদের টিকেট কেটে জুলাই জাদুঘরে প্রবেশ করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি। এ সময় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী রাহাত আরা বেগম। রাষ্ট্রপতি শুরুতে লং ওয়াক টু ডেমোক্রেসির (দীর্ঘ গণতান্ত্রিক যাত্রা) ওয়াকওয়ে দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার বিভিন্ন ধাপের ঐতিহাসিক চিত্র অবলোকন করেন। দীর্ঘ ১৬ বছর ফ্যাসিবাদী শাসনে শহীদ হওয়া ব্যক্তিদের স্মরণে নির্মিত মেমোরিয়াল ও রেপ্লিকা আয়নাঘর ঘুরে দেখেন। রাষ্ট্রপতি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ ও আহতদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে জাদুঘর প্রাঙ্গণে একটি বৃক্ষরোপণ করেন।

এছাড়াও রাষ্ট্রপতি জাদুঘরের বিডিআর ম্যাসাকার, শাপলা ম্যাসাকার, নির্যাতন সামগ্রী, জোরপূর্বক গুমের সেকশনগুলো ঘুরে দেখেন। জুলাই অভ্যুত্থানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও ছাত্র-জনতার সংগ্রামের অংশগুলো ঘুরে দেখেন তিনি। সবশেষ জুলাই জাদুঘরের মনসুন থিয়েটারে একটি ডকুমেন্টারি ফিল্ম দেখে রাষ্ট্রপতি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। পরিদর্শন শেষে রাষ্ট্রপতি জাদুঘরের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা আমাদের সকলের দায়িত্ব। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস যথাযথভাবে তুলে ধরতে এ ধরনের স্মৃতি সংরক্ষণ ও জাদুঘরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ এছাড়াও জুলাই জাদুঘর একটি বিশ্বমানের শৈল্পিক কাজ হয়েছে উল্লেখ করে জাদুঘরের সঙ্গে জড়িত গবেষক, কিউরেটর, শিল্পী ও কলাকৌশলীদেরকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

মহামান্য রাষ্ট্রপতির জাদুঘর পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, প্রধানমন্ত্রীর পলিসি এবং স্ট্র্যাটেজি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক তানজিম ওয়াহাব, জুলাই জাদুঘরের মহাপরিচালক, জুলাই জাদুঘর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি এমপি, আবরার ইলিয়াস এবং মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ উপস্থিত ছিলেন।

জুলাই জাদুঘরে এসেছিলেন শহীদ গোলাম নাফিজের বাবা ও মা।জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে সেই রিকশাটি—যে রিকশায় রক্তমাখা শরীরে শহীদ গো...
07/09/2026

জুলাই জাদুঘরে এসেছিলেন শহীদ গোলাম নাফিজের বাবা ও মা।

জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে সেই রিকশাটি—যে রিকশায় রক্তমাখা শরীরে শহীদ গোলাম নাফিজকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

জুলাই জাদুঘরে ঘুরতে এসে সেই রিকশাটি চোখে পড়ে তার মায়ের। মুহূর্তেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

জুলাই জাদুঘরের প্রতি আপনাদের অগাধ ভালোবাসা ও আগ্রহের জন্য জাদুঘর কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। সাম্প্রতিক সময়ে টিকিট সংক...
06/09/2026

জুলাই জাদুঘরের প্রতি আপনাদের অগাধ ভালোবাসা ও আগ্রহের জন্য জাদুঘর কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। সাম্প্রতিক সময়ে টিকিট সংক্রান্ত কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা আমাদের নজরে এসেছে। কোনো কোনো দর্শনার্থী ৫০ টাকা প্রদান করে অসাবধানতাবশত শিশুদের ২০ টাকার টিকিট পেয়েছেন।

জাদুঘর কর্তৃপক্ষ আপনাদের আশ্বস্ত করছে যে, এটি সম্পূর্ণ অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল বোঝাবুঝির ফল। বিশেষ করে সপ্তাহান্তের দিনগুলিতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় ও অতিরিক্ত চাপের কারণে সাময়িকভাবে টিকিট বিক্রির সময় এই অসতর্কতা ঘটেছে। কোনো ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অনিয়মের ঘটনা নয় এটি।

এই অনাকাঙ্ক্ষিত বিভ্রাটের জন্য জুলাই জাদুঘর কর্তৃপক্ষ দর্শনার্থীদের নিকট আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী। টিকিট কাটার পরপরই অনুগ্রহ করে টিকিটের মূল্য ও প্রাপ্তি যাচাই করে নেওয়ার জন্য সকল দর্শনার্থীকে বিনীত অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনার পরে জাদুঘর কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে টিকিট বিতরণ ব্যবস্থাপনা আরো সুসংহত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এরপরও ভবিষ্যতে কোনো দর্শনার্থীর এ সংক্রান্ত বা অন্য কোনো অভিযোগ থাকলে, জাদুঘরের ভেতরে থাকা নির্দিষ্ট অভিযোগ বাক্সে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে।

এছাড়া [email protected] এই ঠিকানায় ই-মেইল করে আপনার অভিযোগ জানাতে পারেন। সর্বসাধারণের অভিযোগ, পরামর্শ ও মতামত জানানোর সুবিধার্থে অদূর ভবিষ্যতে একটি ফোন নম্বর চালু করা হবে।

​জুলাই জাদুঘর জাতীয় ঐক্য ও গণতন্ত্রের পথে এদেশের মানুষের সংগ্রামের ইতিহাসের এক অনন্য স্মারক। এই প্রতিষ্ঠান আপনার, আমার, আমাদের সবার। এর সুশৃঙ্খল পরিবেশ ও ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখা আমাদের সবার দায়িত্ব।

তাই কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করতে আপনাদের মূল্যবান পরামর্শ, সদয় দৃষ্টিভঙ্গি ও সর্বাত্মক সহযোগিতা বিশেষভাবে প্রার্থনা করছি।

​ধন্যবাদান্তে,
কর্তৃপক্ষ
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর

জাদুঘরের প্রচলিত কার্যক্রমের বাইরে কার্যকরী বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। তারই ধারাবা...
02/09/2026

জাদুঘরের প্রচলিত কার্যক্রমের বাইরে কার্যকরী বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। তারই ধারাবাহিকতায় এই জাদুঘর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কাজে সহযোগিতা করছে এর প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই।

গণভবনে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ নথি ও আলামত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কাছে সরবরাহ ও সংরক্ষণ করা তেমনই এক উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। অপরপক্ষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সরবরাহকৃত গুম, গোপন বন্দিশালায় নির্যাতন এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ভয়াবহ অনেক তথ্য-প্রমাণ এই জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

আজ ২ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চাঞ্চল্যকর সাক্ষ্য প্রদান শেষে বিচারপ্রার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শী ট্রলারমাঝি আব্বাস মল্লিক ট্রাইবুনালের কর্মকর্তাদের সাথে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে আসেন।

এর আগে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দিতে আব্বাস মল্লিক র‍্যাবের তৎকালীন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও সাবেক সেনা সদস্য জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে শতাধিক গুম-খুনের রোমহর্ষক বিবরণ প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে তুলে ধরেন।

আব্বাস মল্লিক আদালতে জানান, ২০১০ ও ২০১১ সালের দিকে প্রায়ই সাদা পোশাকে র‍্যাব সদস্যরা তাদের এলাকায়, অর্থাৎ সুন্দরবন সংলগ্ন চরদুয়ানি বাজারে আসতেন। তারা স্থানীয় দোকানদারদের সন্ধ্যার পর দোকান বন্ধ রাখতে এবং বাতি নিভিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিতেন।

এরপর গভীর রাতে চোখ-হাত বাঁধা অবস্থায় বন্দীদেরকে মাইক্রোবাসে করে নিয়ে আসা হতো এবং তারপর সেখান থেকে ট্রলারে করে তাদেরকে বলেশ্বর নদীর গভীরে নেওয়া হতো। ট্রলারে বন্দীদেরকে কয়েকজন চেপে ধরতেন এবং জিয়াউল আহসান নিজে এসে তাদের মাথায়, কানে বা বুকে গুলি করতেন। গুলি করার পর লাশ যেন ভেসে না ওঠে, সেজন্য পেট চিরে এবং সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ডুবিয়ে দেওয়া হতো।

এই ভয়াবহতার শিকার আব্বাস মল্লিকের নিজের পরিবারও। তার ছোট ভাই আলকাছ মল্লিক এসব বর্বরতার কথা স্থানীয়দের সাথে আলোচনা করায় ২০১১ সালে নিখোঁজ হন, যার সন্ধান আজ পর্যন্ত মেলেনি। আদালতে উপস্থিত আসামি জিয়াউল আহসানকে শনাক্ত করে আব্বাস তার গুম হওয়া ভাইয়ের বিচার চান।

বিকেলে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনকালে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও লাশ গুমের ভয়াবহ আলামত ও তথ্য-প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি ‘গেস্টাপো’ নামক জাদুঘরের একটি সেকশন দেখানো হয় আব্বাস মল্লিককে। নথিপত্র ও ছবি দেখে তিনি জিয়াউল আহসানের সঙ্গে অভিযানে থাকা অন্য সদস্যদের শনাক্ত করেন। একইসঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ট্রলার এবং ঘটনার নির্দিষ্ট স্থানও শনাক্ত করতে সক্ষম হন।

এক পর্যায়ে তিনি নিজের চোখে দেখা বিভীষিকাময় বাস্তবতার সঙ্গে জাদুঘরে থাকা প্রামাণ্য নথি ও ছবির মধ্যে নিখুঁত মিল খুঁজে পান। জুলাই জাদুঘরের উদ্দেশ্য কেবল নথি ও প্রমাণকে অতীতের নৃশংসতার দলিল হিসেবে সংরক্ষণ করা নয়, বরং অপরাধীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার দাবীকে আরো শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো।

গতকাল ৩১ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেন ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) সেক্রেটারি জেনার...
01/09/2026

গতকাল ৩১ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেন ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) সেক্রেটারি জেনারেল অ্যান্ডা ফিলিপ। ১৮৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ) বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জাতীয় সংসদের সমন্বয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা সংসদীয় কূটনীতি এবং প্রতিনিধিত্বমূলক শাসনব্যবস্থার প্রসারে কাজ করে থাকে।

জাদুঘর পরিদর্শনকালে তিনি বাংলাদেশের দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসন এবং জুলাই অভ্যুত্থানের ইতিহাস সংবলিত বিভিন্ন গ্যালারি ঘুরে দেখেন। তিনি পিলখানা ট্র্যাজেডি, শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ড, ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের নৈরাজ্য ও নিপীড়ন এবং ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বিএনপি সহ বিরোধী রাজনৈতিক দলের ওপর নির্যাতনের চিত্র অবলোকন করেন। গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মৃতিচিহ্ন ও পরিবারের স্মৃতিকথা, টর্চার সেলে ব্যবহৃত নির্যাতনের সরঞ্জাম, প্রতীকী আয়নাঘর এবং গুম-খুনের শিকার ৪,২০০-এরও বেশি মানুষের স্মরণে নির্মিত ‘মেমোরিয়াল’ নামক প্রতীকী কবরস্থান দেখে গভীরভাবে অভিভূত হন।

এছাড়াও তিনি জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মারক, অভ্যুত্থানে নারীদের বীরত্বগাথা, শহীদ আনাসের চিঠির বৃহৎ রেপ্লিকা এবং দেয়াল জুড়ে আঁকা জুলাইয়ের গ্রাফিতি ও স্মৃতিচিহ্ন প্রত্যক্ষ করেন। জাদুঘর প্রাঙ্গণে ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন ভাস্কর্যের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী অপশাসন ও অভ্যুত্থানের যেসব বিশেষ মুহূর্ত ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, তা দেখে অভিভূত হন। মুনসুন থিয়েটারে বিশেষ প্রামাণ্যচিত্রও তিনি পরিদর্শন করেন, যেখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বেগম খালেদা জিয়া সহ ফ্যাসিবাদী আমলে ত্যাগী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের অবদান এবং অভ্যুত্থানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বের ইতিহাস দেখানো হয়।

পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তিনজন সংসদ সদস্য মানসুরা আলম এমপি, সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা এমপি এবং জহরত আদিব চৌধুরী এমপি। আরো ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব সহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ এবং গুম হওয়া বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর সন্তান ও জুলাই জাদুঘরের পর্ষদ সদস্য আবরার ইলিয়াস।

জাদুঘর ত্যাগ করার আগে পরিদর্শন বইয়ে অ্যান্ডা ফিলিপ লেখেন: “সদ্য উদ্বোধন হওয়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করে আমি গভীরভাবে আবেগাপ্লুত। এটি স্বৈরাচার ও নিপীড়নের ফলে সৃষ্ট অসীম বেদনা এবং মানবিক যন্ত্রণার এক শক্তিশালী দলিল। স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের অন্বেষণে যেসব বীর শহীদ জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের স্মৃতির প্রতি এক অনবদ্য সম্মাননা এই জাদুঘর।”

আজ ৩০ আগস্ট, আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস। গুমের শিকার হওয়া মানুষদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা, তাদের স্বজনদের প্রতি সংহতি জ...
30/08/2026

আজ ৩০ আগস্ট, আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস। গুমের শিকার হওয়া মানুষদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা, তাদের স্বজনদের প্রতি সংহতি জানানো এবং মানবাধিকার রক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করতেই প্রতিবছর উদযাপিত হয় দিবসটি।

এবারের প্রতিপাদ্য, ‘ভিক্টিমস ফার্স্ট, অ্যাকশন্স নাও’।

বিগত আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শাসনামলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করে শত শত মানুষকে গুম করা হয়েছিল। প্রতিটি গুম এক একটি অসমাপ্ত গল্প আর স্বজনদের অন্তহীন নীরব যন্ত্রণা। জোরপূর্বক গুম কেবল একজন মানুষকে নিখোঁজ করে না, বরং একটি পরিবারকে আটকে রাখে অনিশ্চয়তা আর শোকাবহ এক বাস্তবতার বেড়াজালে।

​গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষ্যে দেওয়া বিশেষ বাণীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, গুম কেবল একজন মানুষের হারিয়ে যাওয়া নয়; এর মধ্য দিয়ে একটি পরিবারের স্বপ্ন, সাধ ও আকাঙ্ক্ষারও মৃত্যু হয়।

সত্যিকার অর্থেই ​গুম কেবল নিছক কোনো পরিসংখ্যান নয়। বছরের পর বছর ধরে গুমের শিকার হওয়া মানুষদের স্বজনদের অশ্রু জড়িয়ে আছে ইতিহাসের সঙ্গে। অবর্ণনীয় সেসব যন্ত্রণা ও সাহসের ইতিহাসকে ধারণ করে আছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। গোপন বন্দিশালা ‘আয়নাঘর’-এর অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বন্দি থাকা মানুষগুলোর ব্যবহৃত স্মৃতিচিহ্ন, প্রিয়জনকে ফিরে পাওয়ার আকুতি আর স্বজনদের হৃদয়বিদারক স্মৃতিকথা সংরক্ষিত রয়েছে জাদুঘরে।

​গুম হওয়া প্রতিটি মানুষের আত্মত্যাগ আমরা ভুলিনি। জুলাই জাদুঘর গুমের শিকার হওয়া সকল সাহসী কণ্ঠস্বরের স্মৃতি অমর রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আগামী ৪ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার, জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে বন্ধ থাকবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। পরদিন শনিবার থেকে সপ্তা...
29/08/2026

আগামী ৪ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার, জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে বন্ধ থাকবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। পরদিন শনিবার থেকে সপ্তাহজুড়ে নির্ধারিত সময়ে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে জাদুঘর প্রাঙ্গণ।

পরদিন শুক্রবার নির্ধারিত অর্ধবেলা, অর্থাৎ বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬:৩০টা পর্যন্ত জাদুঘর খোলা থাকবে। এরপর থেকে সপ্তাহের অন...
26/08/2026

পরদিন শুক্রবার নির্ধারিত অর্ধবেলা, অর্থাৎ বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬:৩০টা পর্যন্ত জাদুঘর খোলা থাকবে।

এরপর থেকে সপ্তাহের অন্যান্য দিন নিয়মিত সময়সূচি অনুযায়ী সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে জুলাই জাদুঘর।

Address

Sher-E-Bangla Nagar
Dhaka
1207

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when July Mass Uprising Memorial Museum posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category