July Mass Uprising Memorial Museum

July Mass Uprising Memorial Museum A tribute to the July Uprising: honoring our martyrs, preserving the truth, and exposing sixteen years of fascist oppression.

This museum is established under the supervision of the Ministry of Cultural Affairs.

জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এবং ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল আজ জুলাই গণঅভ্যু...
12/05/2026

জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এবং ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল আজ জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে আসেন। জাদুঘর প্রাঙ্গণে তাদেরকে অভ্যর্থনা জানান সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

জাদুঘরের লং ওয়াক টু ডেমোক্রেসি অংশে তারা ১৯৭১ থেকে এ পর্যন্ত এদেশের মানুষের সংগ্রামের চিত্র, শহীদ আনাসের চিঠিসহ বিভিন্ন ম্যুরাল ও গ্রাফিতি দেখেন। পাশাপাশি কোটা আন্দোলন, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন সহ শেখ হাসিনার আমলে সংঘটিত বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের নথি ও বিবরণীর পাশাপাশি জুলাই অভ্যুত্থানে আহত ও শহীদদের স্মৃতিচিহ্ন পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার পুরো জাদুঘরটি ঘুরে দেখেন এবং এর প্রতিটি প্রদর্শনী গভীর মনোযোগের সাথে পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শন শেষে তারা উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন।

এ সময় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানসহ বাংলাদেশের ইতিহাসে গণতন্ত্রের জন্য মানুষের সংগ্রামের গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় এই জাদুঘরে তুলে ধরা হয়েছে। বর্তমানে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ চলছে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী জুলাই অথবা আগস্টের শুরুতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজে এই জাদুঘর উদ্বোধন করবেন।’

​ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ‘বাংলাদেশের দামাল ছেলেরা যেভাবে দেশকে স্বৈরাচারের কবল থেকে মুক্ত করেছে, এই জাদুঘরে এলে তার প্রকৃত চিত্র অনুধাবন করা যায়। মহান জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই জাদুঘর যেমন অভ্যুত্থানের বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জায়গা, তেমনি ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতিকেও অম্লান রাখবে। পরবর্তী প্রজন্মের জন্য এখান থেকে অনেক কিছু শেখার আছে।’

পরিদর্শনকালে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার দুজনেই উল্লেখ করেন যে, এই জাদুঘর নির্মাণে সক্রিয় ভূমিকার জন্য সাবেক উপদেষ্টা ও এই জাদুঘরের কিউরটরিয়াল ডিরেক্টর মোস্তফা সরয়ার ফারুকী কৃতিত্বের দাবিদার।

একইসাথে তারা এই জাদুঘরের চীফ কিউরেটর ও জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক তানজিম ওয়াহাব ও তার সাথে সংশ্লিষ্ট সকল গবেষককে ধন্যবাদ জানান।

এছাড়াও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় মাননীয় স্পিকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং বর্তমান মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

স্পিকার বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রকৃত ইতিহাস যথাযথভাবে তুলে ধরার জন্য এই জাদুঘরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। এই জাদুঘরটি পরিদর্শন করলে অশ্রু সংবরণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। এদেশের তরুণ, কিশোর ও শিশুরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য যেভাবে আত্মত্যাগ করেছে, তা কেবল বাংলাদেশের ইতিহাসে নয়, বরং সারা বিশ্বের কাছে এক অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে। জুলাই-আগস্টের এই মহান গণঅভ্যুত্থান এবং এই জাদুঘর যুগ যুগ ধরে বাংলাদেশের মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে।’


The Honorable Speaker of the National Parliament, Hafiz Uddin Ahmed, Bir Bikrom, and Deputy Speaker Barrister Kayser Kamal visited the July Mass Uprising Memorial Museum today. They were received at the museum premises by the Honorable Minister of the Ministry of Cultural Affairs, Nitai Roy Chowdhury.

​In the 'Long Walk to Democracy' section of the museum, they viewed murals and graffiti depicting the history of people’s struggles from 1971 to the present, including Martyr Anas’s letter. Additionally, they observed documents and accounts of extrajudicial killings during Sheikh Hasina’s tenure, as well as records of the Quota Reform Movement and the Anti-Discrimination Movement, along with mementos of those injured and martyred in the July Uprising.

​During the visit, the Speaker and Deputy Speaker toured the entire museum and observed every exhibit with deep attention. Following the inspection, they engaged in an exchange of views with present journalists.

​At this time, Minister of Cultural Affairs Nitai Roy Chowdhury stated, ‘The glorious chapters of people’s struggle for democracy in the history of Bangladesh, including the July Uprising, have been portrayed in this museum. Massive efforts are currently underway to complete the final preparations. It is expected that the Honorable Prime Minister will personally inaugurate this museum in early July or August.’

​Deputy Speaker Barrister Kayser Kamal remarked, ‘The true picture of how the brave sons of Bangladesh liberated the country from the clutches of autocracy can be realized upon visiting this museum. Democracy has been re-established in the country through the great July Uprising. This museum is a place to pay tribute to the heroes of the uprising and will keep the memories of the anti-fascist movement immortal. There is much for future generations to learn from here.’

​During the visit, both the Speaker and the Deputy Speaker noted that the former Advisor and Curatorial Director of the museum, Mostofa Sarwar Farooki, deserves credit for his active role in the construction of this museum. Simultaneously, they thanked the Chief Curator of the museum and Director General of the National Museum, Tanzim Wahab, along with all associated researchers.

​Furthermore, during the press briefing, the Honorable Speaker praised the initiatives of the Ministry of Cultural Affairs of the Interim Government in preserving the memories of the July Mass Uprising and extended sincere thanks to the current Minister, Nitai Roy Chowdhury.

​The Speaker said, ‘Everyone associated with this museum has worked tirelessly to accurately present the true history of Bangladesh. It is difficult to restrain tears when visiting this museum. The way the youth, adolescents, and children of this country have sacrificed their lives to establish democracy will remain a unique example not only for Bangladesh but for the entire world. This great July-August uprising and this museum will continue to inspire the people of Bangladesh for generations.’

10/05/2026

খুনী ফ্যাসিস্ট শত শত মায়ের বুক খালি করেছে জুলাইয়ে। আজও তাদের আহাজারি থামেনি। কিন্তু এই ভিডিওর মায়েরা আর সব সন্তানহারা মায়ের চেয়েও বেশি হতভাগা। এঁরা সন্তানের লাশ‍টাকেও দেখতে পারেনি। খুনি বাহিনী পুড়িয়ে ফেলেছে তাঁদের আদরের সন্তানদের লাশ, জীবিত থাকতে যে সন্তানদের গায়ে তাঁরা পিঁপড়ার কামড়ও লাগতে দেননি।


The murderous fascist regime left hundreds of mothers bereaved during the July Uprising. Even today, their lamentations have not ceased. Yet, the mothers in this footage are even more unfortunate than all those who lost their children. They could not even see the bodies of their offspring. The regime's henchmen burned their beloved children to ashes, the same children whom these mothers once shielded from even the bite of an ant.

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম আজ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন। প...
06/05/2026

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম আজ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনকালে তিনি জাদুঘরের গত এক বছরের কার্যক্রমের প্রশংসা করেন।

নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘এই জাদুঘর দেখতে দেখতে আমার নিজেকেও বারবার নির্যাতিতদের একজন মনে হচ্ছিল। এক বছরে জাদুঘর অনেক কাজ করেছে। এখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আছে যা আমাদের বিচারিক কাজে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। আইনশৃঙ্খলায় যারা নিয়োজিত আছেন তাদের প্রত্যেককে অন্তত একবার এই জাদুঘর দেখানো উচিৎ, যাতে তারা মনে রাখে এই ধরনের অপরাধমূলক কার্যকলাপ একটা সমাজে কীভাবে গভীর ক্ষত তৈরি করে।’

​উক্ত পরিদর্শনে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার। আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে একাধিকবার গুমের শিকার হওয়া এই সংসদ সদস্য জাদুঘর পরিদর্শনকালে নিজের সেই দুঃসহ স্মৃতি রোমন্থন করেন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিগত স্বৈরশাসনের সময় গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর অন্যতম প্রধান সমন্বয়ক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি। পরিদর্শন শেষে তারা উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন।


International Crimes Tribunal Chief Prosecutor Md. Aminul Islam visited the July Mass Uprising Memorial Museum today. During the visit, he lauded the museum's endeavors over the past year.

Expressing his sentiments, the Chief Prosecutor stated, ‘While observing this museum, I felt myself being transformed into one of the victims time and again. The museum has undertaken monumental work in a single year. The wealth of critical information preserved here has served as a profound inspiration for our judicial proceedings. Every individual serving in law enforcement ought to visit this museum at least once, so they remain mindful of how such criminal acts inflict deep-seated scars upon a society.’

Accompanying him on the visit was Anisur Rahman Khokan Talukdar, Member of Parliament for the Madaripur 3 constituency. Having been a victim of enforced disappearance multiple times during the tenure of the fascist Awami government, the MP reflected on those harrowing memories during the tour.

Also present was Sanjida Islam Tuli, Member of Parliament from the reserved women's seats and one of the principal coordinators of "Mayer Dak," an organization formed by the relatives of those who were victims of enforced disappearance during the previous autocratic regime. Following the visit, they participated in a briefing with the journalists in attendance.

05/05/2026

জুলাই জাদুঘরে ঘুরতে এসে শাপলা ম্যাসাকারের অংশ দেখে আবেগাপ্লুত হন লেখক ফাহাম আব্দুস সালাম।

জুলাই জাদুঘরে সংরক্ষিত শাপলা ম্যাসাকারে শহীদদের রক্তমাখা স্মারক, টুপি, তসবিহ ও ভয়ঙ্কর মূহুর্তের ছবিগুলো দেখে আবেগ আটকে রাখতে পারেননি তিনি। ২০১৩ সালের আজকের দিনেই নাগরিকদের উপর ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার।

05/05/2026

৫মে ২০১৩ সালে মধ্যরাতে আলো নিভিয়ে নাগরিকদের উপর হত্যাযজ্ঞ চালায় স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকার। তাদের উদ্দেশ্য ছিল নিজ দেশের প্রতিবাদী নাগরিকদের হত্যা করে একটি ফ্যাসিবাদী সরকার কায়েম করা।

জুলাই জাদুঘরের 'সাদা জোব্বা লাল রক্ত' ডকুমেন্টারিতে দেখানো হয়েছে সেসময়ের ভয়াল অভিজ্ঞতার কথা।

** সংবাদ বিজ্ঞপ্তি **জুলাই জাদুঘরের নির্মাণ ব্যয় ও জনবল নিয়োগ নিয়ে কিছু গণমাধ্যমে প্রচারিত ঢালাও অপপ্রচারের প্রতিবাদ বিষ...
30/04/2026

** সংবাদ বিজ্ঞপ্তি **

জুলাই জাদুঘরের নির্মাণ ব্যয় ও জনবল নিয়োগ নিয়ে কিছু গণমাধ্যমে প্রচারিত ঢালাও অপপ্রচারের প্রতিবাদ বিষয়ে ব্যাখ্যা-

জুলাই জাদুঘরের নির্মাণ ব্যয় ও জনবল নিয়োগ নিয়ে কিছু গণমাধ্যমে প্রচারিত ঢালাও অপপ্রচারের প্রতিবাদ এবং প্রকৃত চিত্র উপস্থাপ...
26/04/2026

জুলাই জাদুঘরের নির্মাণ ব্যয় ও জনবল নিয়োগ নিয়ে কিছু গণমাধ্যমে প্রচারিত ঢালাও অপপ্রচারের প্রতিবাদ এবং প্রকৃত চিত্র উপস্থাপন।

সম্প্রতি কিছু সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের একটি সিসিটিভি ফুটেজ প্রচার করে দাবি করা হয়েছে যে, প্রদর্শিত দৃশ্যটি জুলাই জাদুঘরের জনবল নিয়োগের ভাইভা বা সাক্ষাৎকারের। এ দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

প্রকৃতপক্ষে, জুলাই জাদুঘরে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের জনবল নিয়োগ করা হয়নি। জাদুঘর নির্মাণের বিভিন্ন পর্যায়ে এর গবেষকদের জুলাই শহীদ পরিবার, আহত ব্যক্তি এবং আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হয়েছে। সেই সূত্রেই তাঁদের মধ্যে অনেকেই জুলাই জাদুঘরে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। সেই প্রেক্ষিতে শহীদ পরিবার ও আহতদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

পরবর্তীতে গত ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ‘দৈনিক আমার দেশ’ ও ‘দ্য ডেইলি স্টার’ পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সে অনুযায়ী শহীদ পরিবার, আহত ব্যক্তি এবং আরও বহু মানুষ যথারীতি আবেদন করেন। তবে জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতিজনিত প্রশাসনিক ব্যস্ততার কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা গ্রহণ ও জনবল নিয়োগ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। এ প্রক্রিয়া শিগগিরই সম্পন্ন করা হবে।

ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত সাবেক ‘গণভবন’ স্থাপনাকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সভায় নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। পরবর্তীতে এর বাস্তবায়নের দায়িত্ব সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরকে অর্পণ করা হয়। সরকারের বিশেষ নির্দেশনায় গণপূর্ত অধিদপ্তর, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর সমন্বিতভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ কাজ বাস্তবায়নে একযোগে কাজ শুরু করে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের চূড়ান্ত পর্যায়ে গণভবন প্রাঙ্গণের অভ্যন্তরীণ কাঠামো ও স্থাপনা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ১৭.৬৮ একর আয়তনের একটি বিধ্বস্ত ও অকার্যকর স্থাপনাকে অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক জাদুঘরে রূপান্তর করা ছিল এক বিশাল প্রশাসনিক ও কারিগরি চ্যালেঞ্জ। বিদ্যমান কাঠামোর ক্ষতি না করে দর্শনার্থীদের উপযোগী করে স্মারক নিদর্শন উপস্থাপন করাও ছিল অত্যন্ত জটিল ও শ্রমসাধ্য কর্মযজ্ঞ।

জাদুঘরের পূর্ত ও বৈদ্যুতিক অবকাঠামোগত কাজ সম্পন্ন করেছে গণপূর্ত অধিদপ্তর। এ খাতে ৯৮ কোটি ৪৫ লাখ ২১ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এছাড়া ১৯টি থিমে ৬২টি তথ্যচিত্র নির্মাণে ৫ কোটি ২৩ লাখ টাকা এবং ভাস্কর্য নির্মাণ, গ্যালারি সজ্জা, প্রতীকী কবরস্থান, আয়নাঘর, নিদর্শন সংগ্রহ, থ্রিডি চিত্র, মাল্টিমিডিয়া স্থাপনা, অফিস আসবাবপত্র, স্টোরেজ নির্মাণ ও কিউরেটিং-সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। কাজের পরিধি ও মান বিবেচনায় এই ব্যয় বাস্তবসম্মত ও পরিমিত।

এই বিশাল কর্মযজ্ঞের পাশাপাশি জাদুঘরের কিউরেটিং, তথ্য সংগ্রহ ও স্মৃতিনিদর্শন সংরক্ষণের মতো সংবেদনশীল কাজে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিপুলসংখ্যক রিসার্চার দিনরাত পরিশ্রম করেছেন। কাজটির গুরুত্ব বিবেচনায় মাননীয় প্রধান উপদেষ্টাসহ তৎকালীন সরকারের প্রায় সব উপদেষ্টা, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ নিয়মিত নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেছেন। বিদেশি কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও জাদুঘরটি পরিদর্শন করে প্রশংসা করেছেন এবং এটিকে একটি ‘জীবন্ত জাদুঘর’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

জুলাই জাদুঘরকে একটি সার্থক জাদুঘর হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশাসনিক অনুমোদনের ভিত্তিতে যে ব্যয় হয়েছে, তা সম্পূর্ণ দাপ্তরিক নিয়ম, সরকারি বিধি ও কঠোর আর্থিক স্বচ্ছতা বজায় রেখেই সম্পন্ন করা হয়েছে। এ বিষয়ে অসত্য, বিভ্রান্তিকর বা যাচাই-বাছাইহীন তথ্য প্রচার অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক।

বর্তমানে জাদুঘরটি উদ্বোধনের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী খুব শীঘ্রই এটি উদ্বোধন করবেন মর্মে অভিপ্রায় প্রকাশ করেছেন। সম্প্রতি যে অভিযোগগুলো উত্থাপিত হয়েছে, তা যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করা হচ্ছে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক। জাদুঘর কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব তথ্য প্রদানের জন্য সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।

20/04/2026

জুলাই অভ্যুত্থানের দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও কারও কারও কাছে এখনও থেমে আছে সময়। শহীদ সৈকতের বাবা তাকিয়ে থাকেন সেই রাস্তায়, যে রাস্তা দিয়ে হাঁটতো তারই সন্তান। গুলিতে এক পা হারানো মোহাম্মদ তানিম তাকিয়ে থাকে সেই পায়ের দিকে, যেখানটায় তার পা আর নেই। শহীদ আনাসের মা এখনও মাঝে মাঝে পড়েন সেই চিঠি, যেই চিঠি রেখে আর ফেরেননি আনাস।

দেশ ও স্বাধীনতা রক্ষার এই যুদ্ধে বুক চিতিয়ে দেশের জন্য শহীদ হয়েছেন অনেকেই, হাজার হাজার মানুষ হারিয়েছেন নিজের অঙ্গ, দৃষ্টি হারিয়েছেন শত শত মানুষ। লড়াকু এসব বীর আমাদের নতুন বাংলাদেশ গড়ার অনুপ্রেরণা।


Even a year and a half after the July uprising, time remains frozen for many. The father of martyr Saikat gazes at the street where his son once walked. Mohammad Tanim, who lost a leg to gunfire, stares at the space where his limb used to be. The mother of martyr Anas still occasionally reads the letter he left behind, never to return.

​In this struggle to protect the nation and its freedom, many stood tall and embraced martyrdom for the country. Thousands lost limbs, and hundreds lost their sight. These courageous heroes are the inspiration behind building our new Bangladesh.

গতকাল ৯ এপ্রিল জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে আসেন অস্ট্রেলিয়ার সংসদীয় প্রতিনিধি দল। অভ্যাগতদের মধ্যে ছিল...
10/04/2026

গতকাল ৯ এপ্রিল জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে আসেন অস্ট্রেলিয়ার সংসদীয় প্রতিনিধি দল। অভ্যাগতদের মধ্যে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের মাননীয় স্পিকার মিল্টন ডিক এবং ডেপুটি স্পিকার শ্যারন ক্লেডন। তাদের সঙ্গে ছিলেন সাউথ অস্ট্রেলিয়া, নিউ সাউথ ওয়েলস ও তাসমানিয়ার তিনজন সিনেটর এবং নিম্নকক্ষের একজন সংসদ সদস্য।

পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা অভ্যুত্থানের উত্তাল সব দিনগুলোর স্মৃতিচিহ্ন অত্যন্ত গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। শেখ হাসিনার স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে সাধারণ জনগণের দীর্ঘ সংগ্রামের গল্প যেভাবে এই জাদুঘরে সংরক্ষিত হয়েছে, তার ভূয়সী প্রশংসা করেন তারা। ইতিহাসের নির্মোহ সত্য তুলে ধরার এই সময়োপযোগী উদ্যোগ নেওয়ায় বর্তমান সরকারকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান প্রতিনিধিরা।


On April 9, a parliamentary delegation from Australia visited the July Mass Uprising Memorial Museum. The distinguished guests included the Honorable Speaker of the Australian House of Representatives, Milton Dick, and Deputy Speaker Sharon Claydon. They were accompanied by three senators from South Australia, New South Wales, and Tasmania, along with a member of the lower house.

During the visit, members of the delegation observed the relics and mementos of the turbulent days of the uprising with profound attention. They highly commended the manner in which the museum has preserved the narrative of the general public's long struggle against the autocratic regime of Sheikh Hasina. The representatives extended their special thanks to the current government for taking such a timely initiative to present the objective truths of history.

26/03/2026

স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তরুণ প্রজন্ম সদা জাগ্রত। দেশ ও মানুষকে রক্ষা করার লড়াইয়ে মুক্তিযুদ্ধ এই প্রজন্মের অনুপ্রেরণা।


The younger generation remains ever vigilant in safeguarding independence and sovereignty. In the struggle to protect the nation and its people, the Liberation War serves as a constant inspiration for this generation.

১৯৭১ সালে লক্ষ মানুষকে ম্যাসাকারের মুখে রেখে যখন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ছিল দ্বিধান্বিত, তখনই স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে দিশেহারা...
26/03/2026

১৯৭১ সালে লক্ষ মানুষকে ম্যাসাকারের মুখে রেখে যখন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ছিল দ্বিধান্বিত, তখনই স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে দিশেহারা জাতিকে পথ দেখান মেজর জিয়াউর রহমান।

মহান স্বাধীনতা দিবসে সকল বীর ও শহীদদের প্রতি রইল শ্রদ্ধা।

Address

Sher-E-Bangla Nagar
Dhaka
1207

Opening Hours

Monday 12:01 - 20:00
Tuesday 12:01 - 20:00
Wednesday 12:01 - 20:00
Thursday 12:01 - 20:00
Friday 12:01 - 20:00
Saturday 12:01 - 20:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when July Mass Uprising Memorial Museum posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category