Tasnim art & calligraphy

Tasnim art & calligraphy Art

10/10/2024

আমি আমার জন্য যেটা অবধারিত বলে মেনে নিয়েছি যে, আমাকে কাজ করতে হবে। যেখানে যতটুকু কাজের সুযোগ পাওয়া যায় লুফে নিতে হবে। আলহামদুলিল্লাহ!
আমার এই মানসিকতা আমাকে অনেক এবং নানান কাজে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছে। তাদরিস, তালিম, তাসনিফ, তালিফ, তামাদ্দুন, খাত্তাতি, খেতাবতি, কম্পিউটার, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ইত্যাদি নানান কাজে অংশগ্রহণর সুযোগ হয়েছে।

এই সময়ে এসে আমি সিন্ধান্ত নিয়েছি আর অগোছালো ভাবে নয়। কিছু বিষয় কেবল নিজস্ব পরিসরে করবো। দয়া করে এই বিষয়ে আমাকে কেউ অনুরোধ করবেন না।

১। গ্রাফিক্স ডিজাইন : মাসিক কলমদানির সুবাদে এই কাজটি শিখলেও পরে নানান জনের নানা ফরমায়েশে কাজ করে দিয়েছি। এখন আর সময়ে কুলায় না। নিজের প্রতিষ্ঠানের ডিজাইন ছাড়া আমার আর এই কাজ করার সুযোগ নেই।

২। কম্পোজ : কেবল মাত্র নিজের বই এবং আমার প্রতিষ্ঠানের জরুরি কাজ ছাড়া আমি কম্পোজের কাজ করছি না। দয়া করে কেউ অনুরোধ করবে না।

আমি যা করছি :
প্রতিষ্ঠান পরিচালনা,
শিক্ষকতা : কিতাব বিভাগ,
অনুবাদ,
প্রশিক্ষণ : ক্যালিগ্রাফি,
নিজস্ব ক্যালিগ্রাফি।

এগুলোর প্রয়োজনে/সহযোগিতায় আমাকে স্মরণ করবেন, বান্দা হাজির।
01966527944

30/09/2024

ইদানিং আমার বেশ কিছু কাছের মানুষ বিভিন্ন বিষয়ে পোস্ট করছেন আর আমার টাইমলাইনে ট্যাগ দিয়ে দিচ্ছেন। যে বিষয়গুলোর সঙ্গে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
আপনি যদি মনে করেন এই বিষয়ে আমারও কিছু বলা দরকার তাহলে ইনবক্সে অনুরোধ করতে বা সরাসরি নির্দেশ দিতে পারেন। আমি বিবেচনা করে দেখবো, ইনশাআল্লাহ।

অতএব, দয়া করে আমার অনুমতি ছাড়া কোন স্ট্যাটাসে আমাকে না ট্যাগানোর জন্য অনুরোধ করছি।

আমরা আজীবন জেনে এসেছি, কওমী মাদরাসা হচ্ছে, “আদর্শ ব্যক্তিত্ব“ তৈরির সফল প্রতিষ্ঠান। যাকে আমাদের প্রতিষ্ঠানিক ভাষায় বলে, ...
02/09/2024

আমরা আজীবন জেনে এসেছি, কওমী মাদরাসা হচ্ছে, “আদর্শ ব্যক্তিত্ব“ তৈরির সফল প্রতিষ্ঠান। যাকে আমাদের প্রতিষ্ঠানিক ভাষায় বলে, “রিজাল“ তৈয়ার করা। তারা এই কাজ খুব দায়িত্বশীলতার সঙ্গেই করে থাকেন। মাহমুদুল হাাসান দেওবন্দী থেকে নিয়ে বর্তমান মাহমুদুল হাসান পর্যন্ত প্রায় সকল আকাবিরিন এই কাজটুকু খুব সচেতনভাবে করেছেন। বর্তমানেও কিছু কিছু কওমী মাদরাসায় কোন কোন উস্তায এই ধারাকে অব্যাহত রেখেছেন বলে আমার বিশ্বাস।

আমি এখানে দুই পয়েন্টে কথা বলবো,
এক. আকাবিরিনের এই প্রচেষ্টা কিভাবে চলতো এবং কতটুকুন ফলপ্রসু হতো।
দুই. সময়ের প্রয়োজনে বর্তমানে এই ব্যক্তিত্ব তৈরির কাজ আর কি ভাবে অগ্রসর করা যায় বা প্রয়োজন।

প্রথম পয়েন্ট.
প্রায় শূন্যহাতে প্রতিকূল পরিবেশে সব ধরনের কুরবানি মেনে নিয়ে ইসলামিক মেথডের উপর ইলমি, সিয়াসি এবং ইজতিমায়ি হাইসিয়াত তৈরি করা ছিল বিগত শতাব্দীর দুর্লঙ্ঘনীয় চ্যালেঞ্জ। তদানীন্তনকালের সামাজিক ও রাজনৈতিক ইতিহাস মুতালায়া করলে হয়তো কিছুটা অনুভব করতে পারবেন। এমন সংকটকালে দেওবন্দ-সাহারানপুরকে ঘিরে যে ঐতিহাসিক বিপ্লব তৈরি হয়েছিল তার আলোকচ্ছটা আজও আমরা অনুভব করি। মাওলানা মাহমুদুল হাসান দেওবন্দীসহ অধিকাংশ আসাতিযা কেবল কিতাবী তালিম দিয়েই ক্ষান্ত হননি, শিখিয়েছেন অস্তিত্বের লড়ায়ে মৃত্যুর সামনে টিকে থাকার ইসমে আজম। যিনি যে ময়দানে মাকবুল ছিলেন তিনি সেই ময়দানে শত শত উত্তরসূরী তৈরি করে গেছেন। আদর্শ ব্যক্তিত্ব তৈরির তাদের এই মিশন প্রত্যক্ষভাবে আন্দোলনে রূপ লাভ করেছিল। যার কারণে আমরা দেখি, তাদের খেদমতের পরিধি তাদের কালকে উত্তীর্ণ করে আজ দেড়শত বছর পরেও বিস্তৃতি লাভ করেছে। এটা অবশ্যই সত্য যে, সময় তাদেরকে ওভাবে তৈরি করেছে। ইতিহাস বিচারে এ কথা অবশই বলা যায়, দেওবন্দীদের এই রিজাল তৈরির আন্দোলন হযরত মুজাদ্দিদে আলফেসানি রহ.-এর কর্ম প্রক্রিয়ারই একটা ধারা।
আকাবিরিনে দেওবন্দ সময় সচেতন মানুষ ছিলেন। তারা পূর্বের ইসলামী শিক্ষানীতির মৌলিকত্বকে অটুট রেখে তাদের শিক্ষা কারিকুলামে যুগপত পরিবর্তন এবং সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সামান্য পরিমান দ্বিধা-সংশয়ের আশ্রয় নেননি। আপনি যদি দেওবন্দ মাদরাসার শিক্ষাস্তর, শ্রেণি বিন্যাস এবং পরীক্ষানীতি ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করেন তাহলে দেখতে পারবেন সেটা ছিল তৎকালীন সময়ের ব্রিটিশদের প্রবর্তিত শিক্ষাস্তর এবং পরীক্ষা নীতির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। (এই বিষয়ে বিস্তারিত পড়ার জন্য আমি আপনাদের স্কুলিং ইসলাম পড়ার অনুরোধ করবো।)

সময়ের নার্ভ বুঝতে পারা এবং স্বকীয়তাকে অটুট রেখে দূর্দশিতাসম্পন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য যে প্রজ্ঞা, মেধা এবং খুলুসিয়াত থাকা দরাকার তা আকাবিরিনে দেওবন্দের মধ্যে ছিল কারামতের পর্যায়ে। যার ফলশ্রুতিতে এটি একটি চেতনা এবং বিশ্বময় গ্রহণযোগ্য বৈপ্লবিক চিন্তাধারায় রূপলাভ করেছিল। এই বৈপ্লবিক চিন্তাধারাই তৈরি করেছে হাজারও বাতিঘর। সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে তাদের খেদমতের মহান আঞ্জাম। কাসিম নানুতুবি, ইয়াকুব নানুতুবি, আশরাফ আলী থানবী, হুসাইন আহমাদ মাদানী, শায়খ জাকারিয়া, শামসুল হক ফরিদপুরী রহ.সহ অগণিত অসংখ্য আদর্শ ব্যক্তিত্ব।

আকাবিরিনে দেওবন্দ সে সময় যে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। পূর্ববর্তীদের যা রেখেছিলেন এবং নুতুনত্ব যা গ্রহণ করেছিলেন তা অবশ্যই সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল। সিদ্ধান্ত সঠিক থাকার কারণেই তারা তৎকালীন সময়ে সামাজিক এবং রাজনৈতিক ভাবে ইসলামের গ্রহণযোগ্যতা এবং মুসলমানদের ন্যায্যতা পূনরায় প্রতিষ্ঠিত করার প্রয়াস পেয়েছেন।

দ্বিতীয় পয়েন্ট নিয়ে আমি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আপনার আপনাদের সুচিন্তিত মতামত ব্যক্ত করতে পারেন।

Address

Rajshahi
5700

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tasnim art & calligraphy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category